মিথেন হতে ইউরিয়া প্রস্তুতি,সার হিসাবে ইউরিয়া কার্যপ্রণালী,ইউরিয়ার স্বাস্থ্য, পরিবেশগত দূষণ ক্রিয়া ও ইউরিয়া রিসাইক্লিং এর স্বস্থ্য, পরিবেশ ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব এর বিস্তারিত
প্রশ্ন: মিথেন হতে ইউরিয়া প্রস্তুতির মূলনীতি ব্যাখ্যা কর।
প্রাকৃতিক গ্যাস ও বায়ু হতে H2 ও N2 কে সংগ্রহ করা হয়। প্রাকৃতিক গ্যাসের মধ্যে ভেজাল থাকে বলে একে সালফার গার্ডের মধ্য দিয়ে চালনা করে সালফার বিমুক্ত করা হয়।
এ গ্যাস মিশ্রণকে কার্বনেট দ্রবণে শোষণ করে CO2 অপসারিত করা হয়। অবশিষ্ট গ্যাসকে (N2, H2, CO) কপার লিকারের ভিতর দিয়ে চালনা করলে CO অপসারিত হয়। অবশিষ্ট গ্যাসে 1 : 3 অনুপাতে N2 ও H2 বর্তমান থেকে প্রাপ্ত। এভাবে প্রাপ্ত N2 ও H2 কে 1000 atm চাপে ফিল্টার বক্সের মধ্যে চালনা করার ফলে ভেজাল পৃথক হয়ে যায়। এ বিশুদ্ধ গ্যাস মিশ্রণকে 300 atm চাপে প্রভাবক উদ্দীপকসহ আয়রন প্রভাবকের উপস্থিতিতে 500°C তাপমাত্রায় চালনা করলে NH3 উৎপন্ন হয়।
উৎপন্ন NH3 কে প্রথমে ঠান্ডা পানি ও পরে NH3 রেফ্রিজারেশন দ্বারা ঘনীকরণ করে সরিয়ে নেওয়া হয়। CO2 শোষিত কার্বনেট দ্রবণকে উত্তপ্ত করে CO2 কে পৃথক করে নেওয়া হয় এবং একে তরলায়িত করা হয়।
প্রায় 120–130 atm চাপে ও 180–190°C তাপমাত্রায় NH3 গ্যাস ও CO2 গ্যাসের বিক্রিয়ায় প্রথমে অ্যামোনিয়াম কার্বামেট এবং পরে এটি নিরুদিত হয়ে ইউরিয়া উৎপন্ন করে।
প্রশ্ন: সার হিসাবে ইউরিয়া কার্যপ্রণালী ব্যাখ্যা কর।
সার হিসেবে ইউরিয়া [H2N-CO-NH2] মূলত উদ্ভিদের প্রধান পুষ্টি উপাদান নাইট্রোজেনের (প্রায় ৪৬%) প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করে। মাটিতে প্রয়োগের পর উদ্ভিদ সরাসরি ইউরিয়া অণু গ্রহণ করতে পারে না; বরং মাটির আর্দ্রতা, এনজাইম এবং ব্যাকটেরিয়ার সহায়তায় এটি ধাপে ধাপে উদ্ভিদের গ্রহণোপযোগী অ্যামোনিয়াম (NH4+) ও নাইট্রেট (NO3–) আয়নে রূপান্তরিত হয়।
মাটিতে ইউরিয়ার রূপান্তর ও কার্যপ্রণালীর ধাপসমূহ:
-
ইউরেজ এনজাইম দ্বারা আর্দ্রবিশ্লেষণ (Hydrolysis):
মাটিতে প্রয়োগ করার পর মাটির আর্দ্রতা এবং মাটিতে থাকা ব্যাকটেরিয়ার নিঃসৃত ইউরেজ (Urease) এনজাইমের উপস্থিতিতে ইউরিয়া দ্রুত আর্দ্রবিশ্লেষিত হয়ে অস্থায়ী অ্যামোনিয়াম কার্বামেট গঠন করে। এটি পরবর্তীতে দ্রুত ভেঙে গিয়ে অ্যামোনিয়াম কার্বনেট এবং পরিশেষে উদ্ভিদের গ্রহণোপযোগী অ্যামোনিয়াম আয়ন (NH4+) ও বাইকার্বনেট আয়নে (HCO3–) পরিণত হয়। সাধারণ তাপমাত্রা ও আর্দ্রতায় এই আর্দ্রবিশ্লেষণ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে প্রায় ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা সময় লাগে। -
ক্যাটায়ন সংরক্ষণ ও সরাসরি অ্যামোনিয়াম শোষণ (Ammonium Uptake):
উৎপন্ন ধনাত্মক চার্জযুক্ত অ্যামোনিয়াম আয়ন (NH4+) মাটির ঋণাত্মক চার্জযুক্ত কলয়েড কণার (Clay ও Humus) সাথে স্থির-বৈদ্যুতিক আকর্ষণে যুক্ত থাকে। ফলে সেচ বা বৃষ্টির পানিতে এটি সহজে ধুয়ে (Leaching) ভূগর্ভে চলে যায় না। ধানজাতীয় শস্য এবং কিছু অম্লীয় অঞ্চলের উদ্ভিদ মূলরোমের মাধ্যমে এই NH4+ আয়ন সরাসরি পুষ্টি হিসেবে শোষণ করে নেয়। -
জীবাণুঘটিত নাইট্রিফিকেশন প্রক্রিয়া (Nitrification):
বায়বীয় মাটিতে নাইট্রিফাইং ব্যাকটেরিয়ার প্রভাবে অ্যামোনিয়াম আয়ন দুই ধাপে জারিত হয়ে নাইট্রেট আয়নে রূপান্তরিত হয়:- প্রথম ধাপ (Nitrosomonas ব্যাকটেরিয়া): অ্যামোনিয়াম আয়ন জারিত হয়ে ক্ষতিকর নাইট্রাইট আয়নে (NO2–) পরিণত হয় এবং প্রোটন (H+) মুক্ত করে।
- দ্বিতীয় ধাপ (Nitrobacter ব্যাকটেরিয়া): উৎপন্ন নাইট্রাইট আয়ন দ্রুত পুনরায় জারিত হয়ে উদ্ভিদের জন্য সর্বাধিক গ্রহণোপযোগী ও নিরাপদ নাইট্রেট আয়নে (NO3–) পরিণত হয়।
-
মাটির ক্ষারের সাথে প্রশমন ও ক্যালসিয়াম নাইট্রেট গঠন:
নাইট্রিফিকেশনের সময় উৎপন্ন মুক্ত প্রোটন (H+) এবং নাইট্রেট আয়ন (NO3–) মাটির দ্রবণে মূলত লঘু নাইট্রিক অ্যাসিডের (HNO3) ন্যায় আচরণ করে। এই অম্লত্ব প্রশমিত করতে মাটিতে থাকা চুনাপাথর বা ক্যালসিয়াম কার্বনেট (CaCO3) এর সাথে বিক্রিয়া সম্পন্ন করে। উৎপন্ন ক্যালসিয়াম নাইট্রেট [Ca(NO3)2] পানিতে অত্যন্ত দ্রবণীয়। ফলে উদ্ভিদ একই সাথে মূলের মাধ্যমে দ্রুত দুটি অপরিহার্য পুষ্টি উপাদান—নাইট্রোজেন (N) ও কোষপ্রাচীর মজবুতকারী ক্যালসিয়াম (Ca) গ্রহণ করতে পারে।
প্রশ্ন: ইউরিয়ার স্বাস্থ্য, পরিবেশগত দূষণ ক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।
কৃষিতে অত্যাবশ্যকীয় হলেও অতিরিক্ত ও অপরিকল্পিত ইউরিয়ার ব্যবহার বৈশ্বিক নাইট্রোজেন চক্রের ভারসাম্য নষ্ট করে মারাত্মক পরিবেশগত অবক্ষয় ও প্রাণঘাতী স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে।
পরিবেশগত বিপর্যয় ও বাস্তুতান্ত্রিক ক্ষতি
- ইউট্রোফিকেশন ও জলজ ‘ডেড জোন’ সৃষ্টি: জমিতে প্রয়োগ করা ইউরিয়ার প্রায় ৫০%–৬০% উদ্ভিদ শোষণ করতে পারে না। বৃষ্টির পানিতে ধুয়ে এই অতিরিক্ত নাইট্রোজেন নদী, খাল ও জলাশয়ে মিশে মারাত্মক শৈবাল প্রস্ফুটন (Algal Bloom) ঘটায়। শৈবালের পচনে পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের মাত্রা শূন্যের কোঠায় নেমে মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণীর গণমৃত্যু ঘটে।
- তীব্র গ্রিনহাউস প্রভাব (N2O নির্গমন): মাটিতে থাকা অণুজীবের ডিনাইট্রিফিকেশন প্রক্রিয়ায় ইউরিয়া থেকে নির্গত হয় নাইট্রাস অক্সাইড (N2O)। এটি কার্বন ডাই-অক্সাইডের তুলনায় প্রায় ৩০০ গুণ বেশি শক্তিশালী গ্রিনহাউস গ্যাস এবং স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের ওজোন স্তর ক্ষয়ের অন্যতম প্রধান অনুঘটক।
- মাটির অম্লত্ব বৃদ্ধি ও উর্বরতা হ্রাস: ইউরিয়ার হাইড্রোলাইসিস ও পরবর্তী নাইট্রিফিকেশন বিক্রিয়ায় মাটিতে প্রচুর মুক্ত হাইড্রোজেন আয়ন (H+) নির্গত হয়। দীর্ঘমেয়াদে অতিরিক্ত ইউরিয়া ব্যবহারে মাটির pH হ্রাস পেয়ে মাটি অম্লীয় (acidic) হয়ে পড়ে এবং মাটির গঠনকারী উপকারী অণুজীব ও কেঁচো মারা যায়।
- অম্লবৃষ্টি ও বায়োস্ফিয়ার দূষণ: বাতাসের আর্দ্রতায় ইউরিয়া ভেঙে নির্গত অ্যামোনিয়া গ্যাস (NH3) বায়ুমণ্ডলের সালফার ও নাইট্রোজেন অক্সাইডের সাথে বিক্রিয়া করে অ্যাসিডিক কণা গঠন করে, যা অম্লবৃষ্টির রূপ নিয়ে বনাঞ্চল ও মিঠা পানির উৎস ধ্বংস করে।
জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি ও বিষক্রিয়া
- ‘ব্লু-বেবি সিনড্রোম’ (Methemoglobinemia): ভূগর্ভস্থ সুপেয় পানিতে ইউরিয়াজনিত নাইট্রেট মিশে গেলে তা পান করার পর শিশুদের অন্ত্রে নাইট্রাইটে (NO2–) রূপান্তরিত হয়। এই নাইট্রাইট রক্তের হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে মেথিমোগ্লোবিন তৈরি করে, যা অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা চিরতরে বন্ধ করে দেয় এবং শিশু অক্সিজেন স্বল্পতায় নীল হয়ে মারা যায়।
- ক্যান্সারের ঝুঁকি ও নাইট্রোসামিন গঠন: নাইট্রেটযুক্ত দূষিত পানি ও অতিরিক্ত ইউরিয়া প্রয়োগকৃত শাকসবজি মানবদেহের পাকস্থলীতে গিয়ে সেকেন্ডারি অ্যামিনের সাথে বিক্রিয়া করে অত্যন্ত বিপজ্জনক ‘নাইট্রোসামিন’ (Nitrosamines) যৌগ তৈরি করে, যা গ্যাস্ট্রিক ও কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের অন্যতম উৎস।
- সূক্ষ্ম ধূলিকণা (PM2.5) ও ফুসফুসের জটিলতা: ইউরিয়া কারখানা ও কৃষিজমি থেকে বাষ্পীভূত অ্যামোনিয়া বায়ুমণ্ডলে অ্যামোনিয়াম সালফেট ও অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট এরোসল তৈরি করে। এই কণাগুলো মারাত্মক সেকেন্ডারি ধোঁয়াশা তৈরি করে ফুসফুসের গভীর কোষে প্রবেশ করে হাঁপানি, ব্রঙ্কাইটিস এবং ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (COPD) সৃষ্টি করে।
- থাইরয়েড গ্রন্থির কার্যক্ষমতা হ্রাস: অতিরিক্ত নাইট্রেট আয়ন থাইরয়েড গ্রন্থিতে আয়োডিন শোষণে সরাসরি বাধা দেয়। এর ফলে হরমোন উৎপাদন ব্যাহত হয়, গলগণ্ড (Goiter) এবং বিপাকীয় ত্রুটি দেখা দেয়।
প্রশ্ন: ইউরিয়া রিসাইক্লিং এর স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর।
ইউরিয়া রিসাইক্লিং—কারখানার অভ্যন্তরীণ সংশ্লেষণ লুপে অপ্রতিক্রিয়াশীল উপাদানের পুনরুদ্ধার হোক কিংবা বর্জ্যজল ও কৃষি-বর্জ্য থেকে নাইট্রোজেনের পুনঃব্যবহার—বিশ্বের বিঘ্নিত নাইট্রোজেন চক্রের ভারসাম্য রক্ষার একটি অত্যন্ত কার্যকর টেকসই মডেল।
পরিবেশগত গুরুত্ব
- ইউট্রোফিকেশন ও জলজ বাস্তুতন্ত্রের সুরক্ষা: অপরিশোধিত ইউরিয়া বা অতিরিক্ত নাইট্রোজেন নদী-নালায় মিশলে অতিরিক্ত শৈবালের বৃদ্ধি (Algal bloom) ঘটে এবং পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন শূন্যে নেমে জলজ প্রাণী মারা যায়। বর্জ্যজল থেকে ইউরিয়া আলাদা ও পুনর্ব্যবহার এই দূষণ পুরোপুরি রোধ করে।
- গ্রিনহাউস গ্যাস (N2O) নির্গমন হ্রাস: পরিবেশে উন্মুক্ত ইউরিয়া ভেঙে নাইট্রাস অক্সাইড (N2O) গ্যাসে রূপান্তরিত হয়, যার বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ক্ষমতা কার্বন ডাই-অক্সাইডের চেয়ে প্রায় ৩০০ গুণ বেশি। রিসাইক্লিং লুপে নাইট্রোজেন আটকে রাখলে এ নির্গমন ঘটে না।
- জীবাশ্ম জ্বালানি ও প্রাকৃতিক গ্যাস সংরক্ষণ: কারখানা পর্যায়ে অপ্রতিক্রিয়াশীল অ্যামোনিয়া ও কার্বন ডাই-অক্সাইড স্ট্রিপিং পদ্ধতিতে রিসাইকেল করলে নতুন করে মিথেন গ্যাস পোড়ানোর প্রয়োজন কমে, ফলে সরাসরি কার্বন পদচিহ্ন হ্রাস পায়।
স্বাস্থ্যগত গুরুত্ব
- ‘ব্লু-বেবি সিনড্রোম’ ও ক্যান্সার ঝুঁকি প্রতিরোধ: কৃষিজমি ও পয়োবর্জ্যের ইউরিয়া ভূগর্ভস্থ পানিতে চুইয়ে নাইট্রেট দূষণ ঘটায়। নাইট্রেটযুক্ত পানি পানে শিশুদের রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা নষ্ট হয়ে প্রাণঘাতী ‘ব্লু-বেবি সিনড্রোম’ (Methemoglobinemia) এবং প্রাপ্তবয়স্কদের গ্যাস্ট্রিক ক্যান্সারের ঝুঁকি তৈরি হয়। রিসাইক্লিং এ ঝুঁকির উৎস বন্ধ করে।
- বায়ুবাহিত পার্টিকুলেট ম্যাটার (PM2.5) হ্রাস: ইউরিয়া উন্মুক্ত অবস্থায় আর্দ্রতার সাথে মিশে উদ্বায়ী অ্যামোনিয়া গ্যাস (NH3) নির্গত করে, যা বাতাসে নাইট্রিক ও সালফিউরিক এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে বিষাক্ত সূক্ষ্ম ধূলিকণা (PM2.5) তৈরি করে। ইউরিয়া সংবৃত চ্যানেলে পুনর্ব্যবহার করলে শ্বাসতন্ত্রের জটিলতা ও হাঁপানির প্রকোপ কমে।
- জীবাণুমুক্ত জৈব স্যানিটেশন: উৎস-ভিত্তিক মূত্র পৃথকীকরণ (Urine Diversion) ও প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে রোগজীবাণু বা প্যাথোজেন ধ্বংস করে বিশুদ্ধ নাইট্রোজেন সার তৈরি সম্ভব হয়, যা পয়োনিষ্কাশনবাহিত কলেরা, টাইফয়েডের মতো রোগ ছড়াতে দেয় না।
অর্থনৈতিক গুরুত্ব
- উৎপাদন খরচ নাটকীয়ভাবে সংকোচন: আধুনিক ইউরিয়া প্ল্যান্টে ‘টোটাল রিসাইকেল প্রসেস’ (Total Recycle Process) প্রয়োগের ফলে কাঁচামালের রূপান্তর দক্ষতা প্রায় ৯৮%–৯৯%-এ উন্নীত হয়। এটি কাঁচামালের অপচয় শূন্যের কোঠায় নামিয়ে এনে কারখানাগুলোকে বাণিজ্যিকভাবে বিপুল লাভজনক রাখে।
- বর্জ্য শোধনাগারের (WWTP) বিদ্যুৎ সাশ্রয়: সাধারণ পয়ঃশোধনাগারে তরল বর্জ্য থেকে নাইট্রোজেন অপসারণ প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত জটিল ও বিদ্যুৎনির্ভর। বর্জ্য থেকে ইউরিয়া আলাদা করে সরাসরি সার হিসেবে রিসাইকেল করলে শোধনাগারের প্রায় ৫০% পর্যন্ত শক্তি খরচ বেঁচে যায়।
- স্থানীয় পর্যায়ে বিকেন্দ্রীভূত সার বাণিজ্য: খামার বা স্থানীয় ড্রেনেজ বর্জ্য থেকে ইউরিয়া নিষ্কাশন করে স্ট্রোভাইট (Struvite) বা তরল জৈব নাইট্রোজেন সার তৈরি স্থানীয় গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন ক্ষুদ্র শিল্প ও কর্মসংস্থান গড়ে তোলে।
